আমি কখনো তর্কে জড়াই না। কারণ তর্কের একটা পর্যায়ে আমার নিজের ওপরে নিয়ন্ত্রণ থাকে না। অতি পরিচিত আর পরিচিত ব্যতীত কারো সাথে তো কখনোই নয়। কারণ সেক্ষেত্রে বিপদটা উভমূখী হতে পারে। তার নিজের জন্যেও আর আমার জন্যেও। যদিও দেখতে ছোটখাটো হবার কারণে অপরিচিতরা কেমন যেন গায়ে পড়েই আমার সাথে ঝগড়া করতে আসে। আমার চেহারার ভেতরে যে একটু বখাটে বখাটে ভাব আছে সেটা প্রমাণিত। তাই অপরিচিতদের ক্ষেত্রে আমি চুপ করে শুধু শুনি। আর বিশেষ ক্ষেত্রে একদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকি। যে টা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাজে দেয়। ভয় , বিতৃষ্ণা কিংবা রাগান্বিত করার অপারগতায় সে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। আর আমি মনে মনে কোন একটা গানের গীতকবিতা মনে করার চেষ্টা করি। এটা ওই লোকের করা অপমানের কথা খুব দ্রুত ভুলিয়ে দেয়। যদিও অপরিচিত ব্যক্তির চেহারা আমি কখনোই ভুলি না। এতদিন পর্যন্ত যতজন আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে তাদের প্রত্যেককেই আমি এখনো মনে রেখেছি। অনেকে তার ব্যবহারের কারণেই আমার সাথে পরিচিত হয়ে উঠেছে। তবে হ্যাঁ , পরিচিতদের কেউ কিছু বললে সেটার পরিণতি খুব একটা সুখকর হবার সম্ভাবনা কম থাকে। কারণ যাকে আমি এতদিন ধরে চিনলাম সে আমা...
ছায়া ঢাকা ঝাউ গাছের নিচে গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে পিচ উঠে যাওয়া খানাখন্দে ভরা রাস্তায় একটু দুরত্ব রেখেই হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ জিজ্ঞেস করে বসলে, 'তা কি মনে করে এতদিন পরে দেখা ...
আঠেরো বছর শেষের পথে। জীবনে অর্জন বলতে দুটি অমুল্য(!) সার্টিফিকেট ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ছে না। অর্জিত কিছুই নেই। এ্যাট লিস্ট, একটা প্লাটফর্ম অর্জনের প্রয়োজন ছিল। যেটার দ্বারা আমি আমার পরিচয়টা অন্তত বলতে পারব। কিন্তু সেটাও হোলনা। কোথাও একটা গড়মিল হয়ে গেছে। সমীকরণের তাত্ত্বিক ভুল হয়তবা। জানিনা কবে এর সমাধান হবে। অপেক্ষায় আছি কোন একটি মিরাকলের জন্য। তিনি যখন এতদিন, এতদুর পর্যন্ত আমাকে পরিচালনা করেছেন, বাকি পথটুকুও চালিয়ে নিবেন। ইনশাল্লাহ ভাল হবে ভবিষ্যতে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন